ঢাকামঙ্গলবার , ২রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আবহাওয়া
  3. আমাদের পরিবার
  4. আর্ন্তজাতিক
  5. ইসলামী জীবন
  6. এনায়েতপুর
  7. কক্সবাজার
  8. করোনা আপডেট
  9. খেলাধুলা
  10. চাকরি-বাকরি
  11. জাতীয়
  12. নাগরিক সংবাদ
  13. পাঁচমিশালি
  14. বরিশাল বিভাগ
  15. বাংলাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টাকা চাইল কালিয়া কান্দাপাড়ার ভুক্তভোগী, হুমকি দিল ‘জ্বীনের বাদশা’! অতঃপর আটক

শাহিন রেজা
জুন ২, ২০২৬ ২:৪৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মোবাইলে সোলার প্রজেক্ট ও ইনভেস্টমেন্ট অ্যাপসের মাধ্যমে দ্বিগুণ মুনাফার লোভ দেখিয়ে শতাধিক মানুষের কাছ থেকে প্রায় ২১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের মূলহোতা মো. আব্দুল হামিদ (৩৩)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রতারণার টাকা ফেরত চাইলে নিজেকে ‘জ্বীনের বাদশা’ পরিচয় দিয়ে টেলিগ্রামে ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি ও হুমকিও দিত সে।

 

 মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাজরান রউফ।

 

​গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল হামিদ উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা থানার বনবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে। গত সোমবার (১ জুন) রাতে সলঙ্গায় নিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

​সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, আব্দুল হামিদের প্রতারণার কৌশল ছিল বহুমাত্রিক। সে মূলত দুটি অ্যাপসের মাধ্যমে গ্রাহকদের ফাঁদে ফেলত।

​ প্রথমে সে ‘ইকো ভোল্ট’ (Eco Volt) নামের একটি সোলার প্রকল্পের ভুয়া অ্যাপস চালু করে গ্রাহকদের বিনিয়োগে আকৃষ্ট করে।

পরবর্তীতে আরও বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে ‘সিইএফ’ নামের আরেকটি অ্যাপসে টাকা খাটাতে বাধ্য করে।

​সহজ-সরল মানুষজন বেশি মুনাফার আশায় বিকাশ, রকেট ও নগদের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা তার অ্যাকাউন্টে পাঠায়। শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ২১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর হঠাৎ করেই অ্যাপস দুটি বন্ধ করে দিয়ে আত্মগোপনে চলে যায় হামিদ।

​অ্যাপস বন্ধ হওয়ার পর বিনিয়োগকারীরা যখন নিজেদের আসল টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে, তখন হামিদ নতুন কৌশল অবলম্বন করে। সে ‘Hamkail Moakael’ নামে একটি টেলিগ্রাম আইডি খোলে। নিজেকে অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ‘জ্বীনের বাদশা’ দাবি করে টাকা দাবিদারদের পরিবার ধ্বংস করার ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে শুরু করে।

​পুলিশ জানায়, কালিয়া কান্দাপাড়া গ্রামের মমতাজ বেগম নামে এক নারী ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের এই ঘটনায় বাদী হয়ে গত ১ জুন সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় একটি চৌকস দল অভিযানে নামে। সোমবার রাতেই বনবাড়ীয়া গ্রাম থেকে হামিদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​এ সময় তার হেফাজত থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একটি ডিজিটাল ট্যাব, একটি স্মার্টফোন এবং গ্রাহকদের প্রলুব্ধ করার বিপুল পরিমাণ প্রচারপত্র (লিফলেট) জব্দ করা হয়।

​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হামিদ তার এই জালিয়াতি ও প্রতারণার কথা স্বীকার করেছে। আজ দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এই চক্রের সাথে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই সাথে সাধারণ মানুষকে এই ধরণের অনলাইন অ্যাপসে বিনিয়োগ করা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।